Skip to main content

Posts

Showing posts with the label লালন গীতি

সাধক লালন শাহ

আর কি হবে মানব জনম  আমি অপার হয়ে বসে আছি ওহে দয়াময় সময় গেলে সাধন হবে না চিরদিন পুষলাম এক অচিন পাখি এ বড় আজব কুদরতি মন তুমি সহজে কি সই হবা আমি ঐ চরণে দাসের যোগ্য নই আমি অপার হয়ে বসে আছি ক্ষ্যাপা তুই না জেনে তোর আপন খবর যাবি কোথায় আমি অপার হয়ে বসে আছি আমি ঐ চরণে দাসের যোগ্য নই মন তুমি সহজে কি সই হবা এ বড় আজব কুদরতি চিরদিন পুষলাম এক অচিন পাখি  

ক্ষ্যাপা তুই না জেনে তোর আপন খবর যাবি কোথায়

ক্ষ্যাপা তুই না জেনে তোর আপন খবর যাবি কোথায়। আপন ঘর না বুঝে বাহিরে খুঁজে পড়বি ধাঁধায়।। আমি সত্য না হইলে হয় গুরু সত্য কোন কাজে আমি যেরূপ দেখ না সেরূপ দীন দয়াময়।। আত্মরূপে সেই অ-ধর সঙ্গী অংশে কলা তার ভেদ না জেনে বনে বনে ফিরিলে কি হয়।। আপনার আপনি না চিনে ঘুরবি কত ভুবনে লালন বলে, অন্তিম কালে নাই রে উপায়।।

আমি অপার হয়ে বসে আছি

আমি অপার হয়ে বসে আছি ও হে দয়াময়, পারে লয়ে যাও আমায়।। আমি একা রইলাম ঘাটে ভানু সে বসিল পাটে- (আমি) তোমা বিনে ঘোর সংকটে না দেখি উপায়।। নাই আমার ভজন-সাধন চিরদিন কুপথে গমন- নাম শুনেছি পতিত-পাবন তাইতে দিই দোহাই।। অগতির না দিলে গতি ঐ নামে রবে অখ্যাতি- লালন কয়, অকুলের পতি কে বলবে তোমায়।।

আমি ঐ চরণে দাসের যোগ্য নই

আমি ঐ চরণে দাসের যোগ্য নই। নইলে মোর দশা কি এমন হয়।। ভাব জানিনে প্রেম জানিনে দাসী হতে চাই চরণে। ভাব দিয়ে ভাব নিলে মনে সেই সে রাঙ্গা চরণ পায়।। নিজগুনে পদারবিন্দু দেন যদি সাঁই দীনবন্ধু ... তবে তরি ভবসিন্ধু নইলে না দেখি উপায়।। অহল্যা পাষানী ছিলো প্রভুর চরণ ধূলায় মানব হলো। লালন পথে পড়ে রইলো যা করে সাঁই দয়াময়।।

মন তুমি সহজে কি সই হবা

মন তুমি সহজে কি সই হবা ভাবার ঘরে মুগুর প'লে সেই দিনে গা টের পাবা চিরদিন ইচ্ছা মনে তুমি আইল ড্যাঙাইয়া ঘাস খাবা বাহার তো গেল চলে পথে যাও ঠ্যালা পেলে কোনদিন পাতাল ধাবা তবু তোমার যায় না এবার ট্যারা চলন বদ-লোভা সুখের আশা থাকলে মনে দুখের ভার নিদানে অবশ্য মাথায় নিবা ইল্লতে স্বভাব হলে পানিতে যায় না ধুলে খাসলতি কিসে ধুবা ফকির লালন বলে, হিসাব কালে সকল ফিকির হারাবা

এ বড় আজব কুদরতি

এ বড় আজব কুদরতি আঠার মোকামের মাঝে জ্বলছে একটি রূপের বাতি কিবা রে কুদরতি খেলা জলের মাঝে অগ্নি-জ্বালা খবর জানতে হয় নিরালা নীরে ক্ষীরে আছে জ্যোতি ফণিমনি লাল জহরে সে বাতি রেখেছে ঘিরে তিন সময় তিন যোগ সেই ঘরে যে জানে সে মহারতি থাকতে বাতি উজালাময় দেখতে যার বাসনা হৃদয় লালন কয়, কখন কোন সময় অন্ধকার হবে বসতি

চিরদিন পুষলাম এক অচিন পাখি

চিরদিন পুষলাম এক অচিন পাখি ভেদ-পরিচয় দেয় না আমায় ঐ খেদে ঝরে আঁখি।। পাখি বুলি বলে শুনতে পাই রূপ কেমন দেখিনা ভাই বিষম ঘোর দেখি। চেনাল পেলে চিনে নিতাম যেতো মনের ধুকধুকি।। পোষা পাখি চিনলাম না এ লজ্জা তো যাবে না উপায় কি করি! কোন দিন জানি যাবে উড়ে ধুলো দিয়ে দুই চোখই।। নয় দরজা খাঁচাতে যায় আসে পাখি কোন পথে চোখে দিয়ে রে ভেল্কি। সিরাজ সাঁই কয় বয় লালন বয় ফাঁদ পেতে ঐ সিঁদমুখী।

সময় গেলে সাধন হবে না

সময় গেলে সাধন হবে না দিন থাকতে দ্বীনের সাধন কেন জানলে না তুমি কেন জানলে না সময় গেলে সাধন হবে না (জানো না মন খালে বিলে থাকে না মিল জল শুকালে) কি হবে আর বাধন দিলে মোহনা শুকনা থাকে, মোহনা শুকনা থাকে, মোহনা শুকনা সময় গেলে সাধন হবে না সময় গেলে সাধন হবে না অসময়ে কৃষি করে মিছে মিছি খেটে মরে গাছ যদি হয় বীজের জোরে ফল ধরে না তাতে ফল ধরে না, ফল ধরে না, তাতে ফল ধরে না সময় গেলে সাধন হবে না অমাবস্যায় পূর্নিমা হয় মহা জোগ সে দিনের উদয় লালোন বলে তাহার সময় দনডোমো রয় না, দনডোমো রয় না সময় গেলে সাধন হবে না দিন থাকতে দ্বীনের সাধন কেন জানলে না সময় গেলে সাধোন হবে না

আমি অপার হয়ে বসে আছি ওহে দয়াময়।

আমি অপার হয়ে বসে আছি ওহে দয়াময়।  পারে লয়ে যাও আমায়...  আমি একা রইলাম ঘাটে  ভানু সে বসিলো পাটে  তোমা বিনে ঘোর সংকটে  না দেখি উপায়।।    নাই আমার ভজন সাধন  চিরদিন কুপথে গমন।  নাম শুনেছি পতিত পাবন  তাইতে দেই দোহাই।।    অগতির না দিলে গতি  ঐ নামে রবে অখ্যাতি  লালন কয় অকুলের পতি  কে বলবে তোমায়।।

আর কি হবে মানব জনম

হেলায় হেলায় দিন বয়ে যায় ধিরে নিল কালে আর কি হবে মানব জনম দশব সাধু মিলে কত শত লোক জনি ভ্রমণ করেছ জানি মানব কুলে মনরে তুমি এসে কি করিলে মনাব যা নামের আশায় কত দেবতা দেবতা পাঞ্চিত হয় হেন জনম দিন দয়াময় দিয়াছ কোন ফলে ভুলনারে মনরাসনে সৌধে কর বেচা কেনা লালন বলে কুল এবার ঠকে গেলে