Skip to main content

Posts

Showing posts with the label কবির মন্ডল

ফুল ও

ফুল ও তোমার সুধাই ও ছড়াইয় সুভাস আসিবে যখন প্রিয়। ছড়াই পাপরি কুঞ্জ তাহারো হাত ভরায় যখন মলিন মুখ ভুলিয় ভুলিয় প্রিয় আমায় খুজিয়া লহ নতুন ভ্রুমরা যেমন লহে মৃত দিয়া বিসর্জন আমি হতাশা হয়ে ভাসি মেঘ হয়ে কাদি দুখের সমুদ্রে বিসর্জন প্রিয়ো ভুলিয়া তোমায়

রোগের চিকিৎসা - রবীন্দ্রনাথ

রোগের চিকিৎসা প্রথম দৃশ্য হাঁপাইতে হাঁপাইতে খোঁড়াইতে খোঁড়াইতে হারাধনের প্রবেশ হারাধন । বাবা! ডাক্তার- সাহেবের আস্তাবল থেকে হাঁসের ডিম চুরি করতে গিয়ে আজ আচ্ছা নাকাল হয়েছি! সাহেব যেরকম তাড়া করে এসেছিল , মরেছিলেম আর-কি! ভয়ে পালাতে গিয়ে খানার মধ্যে পড়ে গিয়েছিলেম । পা ভেঙে গেছে — তাতে দুঃখ নেই , প্রাণ নিয়ে পালিয়ে এসেছি এই ঢের । রোগীগুলোকে হাতে পেলে ডাক্তার- সাহেব পট্ পট্ করে মেরে ফেলে ; আমার কোনো ব্যামোস্যামো নেই , আমাকেই তো সেরে ফেলবার জো করেছিল । এবারে রোজ রোজ আর হাঁসের ডিম চুরি করব না ; একেবারে আস্ত হাঁস চুরি করব , আমাদের বাড়িতে ডিম পাড়বে । নেপথ্য হইতে । হারু! হারাধন । ( সভয়ে) ঐ রে , বাবা এসেছে । আমার একটা পা খোঁড়া দেখলে মারের চোটে বাবা আর- একটা পা খোঁড়া করে দেবে । নেপথ্যে পুনশ্চ। হারু ! (নিরুত্তর) হারা ! (নিরুত্তর) হেরো ! পিতার প্রবেশ হারাধন । ( অগ্রসর হইয়া) আজ্ঞে! পিতা । তুই খোঁড়াচ্ছিস যে! হারাধনের মাথা-চুলকন পিতা । ( সরোষে) পা ভাঙলি কী করে! হারাধন । ( সভয়ে ) আজ্ঞে , আমি ইচ্ছে করে ভাঙি নি । পিতা । তা তো জানি , কী করে ভাঙল সেইটে বল্-না । হারা...

আনন্দধারা বহিছে ভুবনে

আনন্দধারা বহিছে ভুবনে, দিনরজনী কত অমৃতরস উথলি যায় অনন্ত গগনে॥ পান করে রবি শশী অঞ্জলি ভরিয়া– সদা দীপ্ত রহে অক্ষয় জ্যোতি– নিত্য পূর্ণ ধরা জীবনে কিরণে॥ বসিয়া আছ কেন আপন-মনে, স্বার্থনিমগন কী কারণে ? চারি দিকে দেখো চাহি হৃদয় প্রসারি, ক্ষুদ্র দু:খ সব তুচ্ছ মানি প্রেম ভরিয়া লহো শূন্য জীবনে॥ - রবীন্দ্রনাথ

আজি ঝড়ের রাতে তোমার

আজি ঝড়ের রাতে তোমার অভিসার পরানসখা বন্ধু হে আমার॥ আকাশ কাঁদে হতাশ-সম, নাই যে ঘুম নয়নে মম– দুয়ার খুলি হে প্রিয়তম, চাই যে বারে বার॥ বাহিরে কিছু দেখিতে নাহি পাই, তোমার পথ কোথায় ভাবি তাই। সুদূর কোন্ নদীর পারে গহন কোন্ বনের ধারে গভীর কোন্ অন্ধকারে হতেছ তুমি পার॥ - রবীন্দ্রনাথ

কর্ম গুনে অন্ধ আমি

কর্ম গুনে অন্ধ আমি গো দয়াল সাই কুলে পরে আছি আমি তোমার দেখা নাই.. চোখের জলে নদী হয়ে সেই নদী আজ গেছে শুকিয়ে জোয়ার ভাটার সাগরে আজ ক্ষরা বয়ে যায় রে দয়াল তোমার দেখা নাই গাছের ছায়া পাইতে গেলে ডাল ভাঙ্গীয়াপরে রোদে পুরে মায়ার খাচা ঝরে ঝরে পরে সুখের পাখি খাচা থেকে চলে গেছে ফেলে রেখে নিজের নীড় বাধলো হায়রে আমার খবর নাই দয়াল তোমার দেখা নাই জীবণ দিলা কাচা বাশের ঘূনে ধরে গড়ল বিজ ছাড়া হাল ধরিলে ফলবে কি আর ফল? পাপ পুণ্যের বিচার হলে আমার ঠাই নাই অধম কবির কেদে বলে কর হে দয়া আমায় দয়াল তোমার দেখা নাই কর্ম গুনে অন্ধ আমি গো দয়াল সাই কুলে পরে আছি আমি তোমার দেখা নাই.. -- কবির